সমাজ ও রাজনীতি

4 টি বই

আঁধারের যাত্রী
আঁধারের যাত্রী

প্রদীপ দত্ত

অল্প কিছু মানুষ আছেন যাঁরা পৃথিবীর থেকে যতটুকু নেন ফিরিয়ে দেন অনেক বেশি। তাঁদের মন থাকে মানুষের প্রতি ভালবাসায় ভরা। অন্যায়ের প্রতিবাদে দ্বিধাহীন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা ছাড়াও তাঁদের জীবনযাত্রা হয় অনাড়ম্বর। তাঁরা শেখান সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে দৃষ্টি বড় করতে হয়। যতদিন বাঁচেন আলো করে থাকেন। এই বইয়ে এরকমই কয়েকজনকে স্মরণ করা হয়েছে। কথা বলার আন্তরিক ও মর্মস্পর্শী ভঙ্গী এবং ভাষা পাঠককে স্পর্শ করবে।

₹275
চিত্তদাহ
চিত্তদাহ

বেবী হালদার, অভিজিৎ সেনগুপ্ত

'রেড লাইট'—জায়গাটা একটু অন্যরকম। প্রস্টিটিউটের কাজ কি শুধু এই এরিয়াতেই হয়? সমাজের অন্যত্রও এমন কাজ চলছে। এই রেড লাইট, প্রস্টিটিউট—এসব নাম দেওয়া হয়েছে, এখানে খোলাখুলি হয় বলে। শরীর বেচে টাকা কামানো যায়। নারী শরীর চেটে পুটে ভোগ করার লোভ-লালসার পুরুষ থেকে প্রেমে পড়া পুরুষের আখ্যানও ফুটে ওঠে পাতায় পাতায়। সোনাগাছিতে প্রস্টিটিউট মহিলাদের নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতার কথাই উঠে এসেছে এই বইয়ে।

₹275
পটভূমি কাঞ্চনজঙ্ঘা
পটভূমি কাঞ্চনজঙ্ঘা

সত্যেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সমীক চক্রবর্তী

অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে দার্জিলিং পাহাড়ের চা শ্রমিকদের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলার শুরুর যুগের স্মৃতিকথা হিসেবে লেখা এ বই। ব্রিটিশ শাসক এবং মালিকদের রক্তচক্ষু এড়িয়ে কিংবা মোকাবিলা করে, পাহাড়ি পথঘাটে বিভিন্ন চা বাগান আর গ্রাম-বসতি ঘুরে, শ্রমিকদের বাড়ির আশ্রয়ে থেকে, পাহাড়ের মানুষ ও তাঁদের জীবন তথা সংগ্রামের সাথে মিলিমিশে গিয়ে যে অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার বর্ণনা তা লেখা এই বইয়ে। জীবন-জীবিকার লড়াই, হক-অধিকারের শ্রেণিসংগ্রাম, দিনবদলের স্বপ্ন এখনও আলবাত আছে। তাই এই বইয়ের সময়কাল আর আজকের বাস্তবের মাঝখানে যে আশি বছরের ব্যবধান, তাও যেন ঝাপসা হয়ে যায় বইটা পড়তে পড়তে।

₹355
বদমাএস জব্দ
বদমাএস জব্দ

শ্রী প্রাণকৃষ্ণ দত্ত, সুরজিৎ সেন, সম্বরণ দাস

১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহকে দমন করার পর ব্রিটিশ সরকার যখন সবে গুছিয়ে বসেছে, তার বছর তিনেক বাদে তারা আবিষ্কার করে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মে মজুত তাদের সৈন্যদের এক-তৃতীয়াংশ সিফিলিস রোগে আক্রান্ত নিয়মিত বেশ্যাদের কাছে যাওয়ার কারণে। তাদের চিকিৎসা করানো শুরু করলে পর দেখা যায় সংখ্যাটা বাড়ছে। কর্তৃপক্ষ তখন ভাবে, ফোর্ট উইলিয়ম ও তার আশপাশের চত্বর কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিলে সৈন্যদের বাইরে যাওয়া বন্ধ করা যাবে। কিন্তু কিছুদিন পর তাতে সমস্যার সুরাহা হবে না বুঝতে পেরে (এছাড়া পরীক্ষামূলকভাবে পাহারা চালু করা হয়েছিল যাতে সৈন্যরা না বেরোতে পারে, এতেও সৈন্যদের পালানো আটকানো যায়নি।) সরকার তখন সৈন্যদের চিকিৎসার পাশাপাশি শহরের বেশ্যাদেরও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে, কেন-না তারা বুঝেছিল সৈন্যরা বেশ্যাদের কাছে যাবেই।

₹245