এখন পুরো বর্ষা চলছে
বইমেলা
ভালো বই-এর মেলা
স্টল
সব স্টল →নির্বাচিত
৩২টি বই

তীর্থঙ্কর চন্দ
যে প্রাতিষ্ঠানিকতা আমাদের সবকিছুকে চালায়, বাদল সরকার সেই প্রাতিষ্ঠানিকতাকে অস্বীকার করেছিলেন। সাতের দশকে মঞ্চ ছেড়ে চলে এলেন 'অঙ্গনে'— নাটক অভিনয় হতে শুরু করল দর্শকদের মধ্যে। এটি আদতে একটি প্রতিষ্ঠান বিরোধী প্রক্রিয়া। আবার প্রতিষ্ঠান ভাঙার জন্যেও যে আয়োজন, সেটাও একটা প্রতিষ্ঠান হয়ে যায়। এই 'প্রতিষ্ঠান ভাঙার প্রাতিষ্ঠানিকতা'-কেও বাদল সরকার দেখতে পেয়েছিলেন।

অশনি দাশগুপ্ত
The art of thinking about non-routine mathematical problems can be deeply rewarding. This book on mathematical Olympiad topics aims to share effective ways of approaching such problems while nurturing a spirit of curiosity and exploration. It also introduces elements of a research-oriented mindset — an outlook that can greatly benefit readers in the long run. The book is ideal for students interested in exploring challenging problems in geometry, algebra, combinatorics, and number theory, particularly those preparing for Olympiads such as IOQM, RMO, INMO, and AMC. Some children have a natural interest in mathematical science, but school mathematics often fails to satisfy their curiosity. Math Olympiads provide an excellent opportunity for such students: contests with non-routine problems that challenge the young mind to think creatively.

প্রদীপ দত্ত
অল্প কিছু মানুষ আছেন যাঁরা পৃথিবীর থেকে যতটুকু নেন ফিরিয়ে দেন অনেক বেশি। তাঁদের মন থাকে মানুষের প্রতি ভালবাসায় ভরা। অন্যায়ের প্রতিবাদে দ্বিধাহীন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা ছাড়াও তাঁদের জীবনযাত্রা হয় অনাড়ম্বর। তাঁরা শেখান সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে দৃষ্টি বড় করতে হয়। যতদিন বাঁচেন আলো করে থাকেন। এই বইয়ে এরকমই কয়েকজনকে স্মরণ করা হয়েছে। কথা বলার আন্তরিক ও মর্মস্পর্শী ভঙ্গী এবং ভাষা পাঠককে স্পর্শ করবে।

বেবী হালদার, অভিজিৎ সেনগুপ্ত
'রেড লাইট'—জায়গাটা একটু অন্যরকম। প্রস্টিটিউটের কাজ কি শুধু এই এরিয়াতেই হয়? সমাজের অন্যত্রও এমন কাজ চলছে। এই রেড লাইট, প্রস্টিটিউট—এসব নাম দেওয়া হয়েছে, এখানে খোলাখুলি হয় বলে। শরীর বেচে টাকা কামানো যায়। নারী শরীর চেটে পুটে ভোগ করার লোভ-লালসার পুরুষ থেকে প্রেমে পড়া পুরুষের আখ্যানও ফুটে ওঠে পাতায় পাতায়। সোনাগাছিতে প্রস্টিটিউট মহিলাদের নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতার কথাই উঠে এসেছে এই বইয়ে।

সঞ্জীব চক্রবর্তী
শৈল শহর দার্জিলিং; এক শীতের সন্ধ্যায় কুয়াশামাখা রাস্তায় হঠাৎ আবির্ভাব এক আগন্তুকের! চললেন পাহাড়পুর ভিলার দিকে। যে ভিলায় দীর্ঘ বছর ধরে থাকেন মেজর জেনারেল অজিত দত্ত। কারুর সাথে মেশেন না। কথাও বলেন না—এক রহস্যময় যাপন। এক নিঝুম রাতে আচমকায় আক্রমণ। "যে জিনিসের জন্য এতদূর আসা সেটা কিন্তু পেতেই হবে" ফিসফিস করে ওঠা আক্রমণকারীর কথা থেকে স্পষ্ট তাদের লক্ষ্যবস্তু কী। কিন্তু মেজর কি এত সহজে দুর্মূল্য বস্তুটা হাতছাড়া করবেন? তাঁর আসল পরিচয়ই বা কী? সব ছেড়ে এই শৈল শহরে কবে থেকে আত্মগোপন করেছেন তার রহস্যও তো উদ্ঘাটন করা দরকার।

সঞ্জীব চক্রবর্তী
সব্বার বাড়িতে একটা ত্যাঁদড় আছে না? ছোট বড় সবাইকেই ব্যাতিব্যস্ত করে রাখে যে জন তার কাণ্ডকারখানা দিয়ে শুরু হচ্ছে গল্প। কিডন্যাপার পর্যন্ত বিরক্ত হয়ে ওঠে। এ বাচ্চা কী আর যে সে বাচ্চা... অন্য আরেকটি গল্পের প্লট মফঃস্বলে; ছোট ঝামেলাহীন একটা জনপদ—নীলগঞ্জ। কিন্তু ত্যাঁদড় কি আর এমনি এমনি বলে... ঝামেলা তো করবেই। সেই নিয়েই গল্প। নিখাদ মজার গল্প। হাসির গল্প। সব মিলিয়ে তিনটি গল্প দিয়ে সাজানো এই কমিক্সের বই।

বাদল সরকার
'থিয়েটারের ভাষা' শীর্ষক বাদল সরকার প্রদত্ত 'দ্বিজেন্দ্রলাল রায় স্মারক বক্তৃতা—১৯৮১' বই আকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৩ সালে। সে হিসেবে এটির বয়স চার দশকের বেশি। বাদল সরকার লিখছেন, "বক্তৃতাগুলি গবেষণাধর্মী নয়। থিয়েটারে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ এবং সমাজ ও যুগের পরিপ্রেক্ষিতে সেই যোগাযোগের ভাষার রূপ ও রূপান্তর—এই বিষয়ে। আমার নাট্যকর্মের মাধ্যমে যা বুঝেছি, অনুভব করেছি, উপলব্ধি ঘটেছে, তারই প্রকাশ এই চারটি আলোচনায়।"

নন্দদুলাল চট্টোপাধ্যায়, আর্ল স্ট্যানলি গার্ডনার
মিলপাস ড্রাইভের অভিজাত পাড়া, শহরের ধনী-সম্ভ্রান্তদের বসবাস। সেখানেই ভয়ানক ঘটনাটি ঘটল—ক্লিন্টন ফলি আর তার বহুদিনের পোষ্য শিকারীকুকুরটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। ঠান্ডা মাথায় কাছ থেকে তাদের গুলি করা হয়েছে। পিস্তলটি কেনা হয়েছিল একবছর আগে, দূরের শহর সান্তা বারবারায়। কিনেছিল বেসি ফরবিস, ফলির পরিত্যক্তা স্ত্রী। প্রতিবেশীর যুবতী স্ত্রীকে ফুসলিয়ে সান্তা বারবারা ছেড়ে একদিন নিঃশব্দে সরে পড়েছিল ফলি। গোপনে সংসার পেতেছিল মিলপাস ড্রাইভে। সেই রাতে বেসি খুঁজে বের করেছে ফলির বাসা। সেখানে তখন শুধু ফলি আর কুকুরটি। তাহলে, বেসিই প্রাণীদু'টিকে হত্যা করেছে—এমনই তো মনে হওয়ার কথা। সরকারি এটর্নিও তাই প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই অবিশ্বাসের চাদর ঠেলে উকিল পেরী ম্যাসনকে তার মক্কেল বেসি ফরবিসকে বাঁচাতে হবে, বিচারের কাঠগড়ায় তার পক্ষে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে, কিন্তু কীভাবে?

বাদল সরকার, সুরজন মৈত্র, ঋতদীপ

সত্যেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সমীক চক্রবর্তী
অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে দার্জিলিং পাহাড়ের চা শ্রমিকদের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলার শুরুর যুগের স্মৃতিকথা হিসেবে লেখা এ বই। ব্রিটিশ শাসক এবং মালিকদের রক্তচক্ষু এড়িয়ে কিংবা মোকাবিলা করে, পাহাড়ি পথঘাটে বিভিন্ন চা বাগান আর গ্রাম-বসতি ঘুরে, শ্রমিকদের বাড়ির আশ্রয়ে থেকে, পাহাড়ের মানুষ ও তাঁদের জীবন তথা সংগ্রামের সাথে মিলিমিশে গিয়ে যে অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার বর্ণনা তা লেখা এই বইয়ে। জীবন-জীবিকার লড়াই, হক-অধিকারের শ্রেণিসংগ্রাম, দিনবদলের স্বপ্ন এখনও আলবাত আছে। তাই এই বইয়ের সময়কাল আর আজকের বাস্তবের মাঝখানে যে আশি বছরের ব্যবধান, তাও যেন ঝাপসা হয়ে যায় বইটা পড়তে পড়তে।

বাদল সরকার
২৪ অক্টোবর ১৯৭১, এবিটিএ হলে প্রথম অঙ্গনমঞ্চের অভিনয় হয়। তার আগে বাদল সরকার 'এবং ইন্দ্রজিৎ' থেকে শুরু করে 'সাররাত্তির', 'বাকি ইতিহাস', 'বাঘ' এবং 'পাগলা ঘোড়া'-র মতো সব নাটক লিখেছেন। '৫৭ সালে লন্ডনে থাকার সময়ের লেখা থেকে বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে লেখা প্রবন্ধ বা আটের দশকে পাকিস্তানে ওয়ার্কশপ করানোর অভিজ্ঞতা—আঠেরোটি প্রবন্ধে থার্ড থিয়েটার সহ বাকি ভাবনাও উঠে এসেছে। থার্ড থিয়েটারের রাজনৈতিক, দার্শনিক ভাবনা সহ সমকালের ভাবনায় সাজানো এই লেখাগুলি।






